Categories
ব্যবসার কাগজপত্র

offshore banking meaning in bengali

Offshore banks

একটি অফশোর ব্যাঙ্ক হল একটি ব্যাঙ্ক যার ব্যাঙ্কিং কার্যকলাপ সাধারণত আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্ক লাইসেন্সের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ( এটিকে অফশোর লাইসেন্স বলা হয়)। রেগুলেশন এবং স্বচ্ছতার অভাবে অফশোর অ্যাকাউন্টে প্রায়ই অঘোষিত অর্থ লুকিয়ে রাখে।

১৯৮০ এর দশক থেকে বড় আকারে আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কখনও কখনও অফশোর আর্থিক কেন্দ্র বলা হয়। প্রায়শই OPC ব্যবসায়িক আয়ের উপর খুব ন্যূনতম ট্যাক্স সংগ্রহ করে – প্রাথমিকভাবে ব্যক্তিগত এবং পরোক্ষ – যেমন শুল্ক, জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এর কারণে হয়।

অফশোর ব্যাংকিং কি?

offshore banking meaning in bengali বলতে এমন একটি ব্যাংকিং সার্ভিস ব্যবহার কে বোঝায়, যেখানে কোন ব্যক্তি দেশের বাইরের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা গুলো দেশে অবস্থান করে ব্যবহার করতে পারে। মূলত এটি ব্যাংকের অভ্যন্তরে আরো একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা যা পৃথক জুরিসডিকশন ও নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সুতরাং যে কোনও ব্যক্তি যদি তার দেশের বাইরে বিদেশে কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মালিক হন, তারা অফশোর ব্যাংকিংয়ে নিযুক্ত হন।

আপনি যদি বাংলাদেশেরযুক্তরাজ্যের নাগরিক হন এবং যুক্তরাষ্ট্রে একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন, তবে এটি অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। অতীতে সাধারণত ব্যাংকগুলি অফশোর ব্যাংকিং সেবা গুলি খুব কম সংখ্যক ছিল, তবে আজকাল, যে কেউ প্রায় যে কোনও জায়গায় অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।

এখনও কিছু নির্দিষ্ট ব্যাংকিং জুরিসডিকশন এখতিয়ার রয়েছে (যেমন সিঙ্গাপুর, বেলিজ, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ এবং সুইজারল্যান্ড) এ সকল দেশের অবসর ব্যাংকিংয়ের যথেষ্ট খ্যাতি এবং অনুকূল পরিবেশ রয়েছে যা শক্তিশালী ব্যাংকিং নীতি ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করে।  offshore banking meaning in bengali বলতে একটি দেশে বসে অন্য একটি দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা কে গ্রহণ করা বোঝায়।

তবে, আপনি যদি স্বল্প আমানত এ ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলতে চান এবং যদি তা অনলাইনে করতে চান তবে তা করা যেতে পারে।

অফশোর ব্যাংক একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন

আপনার প্রাথমিক আমানত কি?
আপনার কোন ধরণের অ্যাকাউন্ট দরকার?
আপনি কোথায় থাকেন এবং আপনার কোন পাসপোর্ট রয়েছে?
আপনার কোন ধরণের আর্থিক পরিষেবাগুলির প্রয়োজন?
অ্যাকাউন্টের উদ্দেশ্য কী?
আপনার করের বাধ্যবাধকতাগুলি কী কী?

উপরের তথ্যগুলো আপনার সাধারন অবসর একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে সহায়তা করবে কিন্তু প্রতিটি দেশের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের নীতিমালা বিবেচনা করতে হবে

অফশোর ব্যাংকিং সুবিধা

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ এর মাধ্যমে বেশি লাভ
অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
উচ্চতর সুদের হার
বিদেশী ব্যাংকিং সিস্টেম সুরক্ষা
আপনার সম্পদের বৈচিত্রতা
উচ্চতর তরলতা
একাধিক মুদ্রায় অর্থ সংরক্ষণ
সম্পদ সুরক্ষা
অ্যাকাউন্ট গোপনীয়তা

বাংলাদেশ অফশোর ব্যাংকিং সেবা

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৯৮৫ সালে প্রথম ব্যাংকগুলোর জন্য অবসর ব্যাংকিং পরিচালনায় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। সম্প্রতি প্রায় ৩০ বছর পর বাংলাদেশ ব্যাংক একটি পূর্ণাঙ্গ অফশোর ব্যাংকিং নীতিমালা জারি করেছে। নীতিমালাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন । প্রথমে বিদেশি ব্যাংকগুলোর সেবার আওতায় থাকলেও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ব্যাংক এ সেবার আওতায় যুক্ত হচ্ছে। গত ৫ বছর ই-ব্যাংকিং সেবা যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আমাদের দেশে যে কারণে বিদেশি ব্যাংকের পাশাপাশি দেশীয় ব্যাংক শাখা ইউনিট খুলেছে এ সেবা প্রদানের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Exit mobile version