পণ্যের বাজারজাতকরণ কৌশল

পণ্যের বাজারজাতকরণ কৌশল কি?

বাজারজাতকরণ কৌশল হচ্ছে বাজারের সুযোগগুলির বিশ্লেষণের ভিত্তিতে  বাজারে পণ্য বা সেবা মূল্য ও প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে উপস্থাপন করা।

পণ্যের বাজারজাতকরণে বাজার প্রসারের গ্রীড

 

বাজার ব্যবস্থাপনা
বর্তমান পণ্য
নতুন পণ্য
বর্তমান বাজার
১। বাজারে প্রবেশ কৌশল
 ৩। পণ্যের উন্নয়ন কৌশল
নতুন বাজার
২। বাজার উন্নয়ন কৌশল
৪। কৌশলের বিভিন্নতা

বাজার প্রবেশের কৌশলঃ

চলমান পণ্যগুলি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ/এ্যাপরোচ এর অভিগমনের মাধ্যমে তাঁদের চলমান বাজারে বাজার শেয়ার বৃদ্ধি করে। সঙ্গীত দোকানীরা ইহার চলমান ক্রেতাদেরকে প্রত্যেক সময়ে বেশি সিড়ি (কমপ্যাক্ট ডিক্স) ক্রয় করার জন্য উৎসাহ প্রদানের চেষ্টা করে। কাজগুলি এই রকম হতে পারে-যদি ইহার ক্রেতাগণ কদাচিৎ সিডি ক্রয় করে তাদেরকে গাণ রেকর্ডিং ও বক্তব্য রেকর্ড করার জন্য অনেক সিডি (কমপ্যাক্ট ডিক্স) ব্যবহারের লোভ দেখাতে পারেন। সঙ্গীতের দোকানগুলি ক্রেতা ও প্রতিযোগীদেরকে আকর্ষণ করার জন্য বিভিন্ন মানের জিনিসপত্র রাখার চেষ্টা করে। যদি প্রতিযোগী, পণ্য/উৎপাদন অথবা বাজারজাতকরণ সঙ্গীতের বড় কোনদুর্বলতা দেখা দেয় তখন ইহা কাজ করে। ইহা পণ্য, প্রতিযোগীগণ অথবা বাজারজাতকরণের বিষয়াদির অধিক দূর্বল দিক প্রদর্শিত হলে-ইহা কাজকরে। পরিশেষে, সঙ্গীত দোকানগুলি, যারা সিডি ব্যবহার করে না বা সবেমাত্র ব্যবহার শুরু করেছে তাদেরকে কনভিন্স করার চেষ্টা করে। অধিকন্ত, যে সব জনগণের নিজস্ব সিডিপ্লেয়ার নাই তাদের ক্ষেত্রে এই কাজগুলি হতে পারে।

বাজার উন্নয়নের কৌশলঃ

ব্যবস্থাপনার সব সময় নতুন বাজারে কাদের চলমান পণ্যের প্রয়োজন হতে পারে তার প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত। প্রথমতঃ সঙ্গীত দোকানীরা তাদের চলমান বিক্রয় এলাকার মধ্যে কাদের সিডি ব্যবহারে আগ্রহ আছে এবং ব্যবহারকারী ক্ষমতার দলগুলি চিহ্নিত করার চেষ্টা করতে পারে। যদি সঙ্গীত দোকানদাররা শুধুমাত্র বাজার এলাকায় বিক্রয় করতে থাকে, পরবর্তীতে তারা অফিস, ফ্যাক্টরী বাজারের দিকেও যেতে পারে।

দ্বিতীয়তঃ কোম্পানী ইহার এলাকার মধ্যে অতিরিক্ত ডিষ্ট্রিবিউটর চ্যানেলের সন্ধান করতে পারে। যদি শুধুমাত্র ষ্টেরিও ডিলারদের মাঝে সিডি (কমপ্যাক্ট ডিক্স) বিক্রয় করে থাকে তাহলে তাদের সাথে গান মার্চেন্ডাইজিং চ্যানেল ও যোগ করতে পারে। তৃতীয়তঃ কোম্পানী স্থানীয় এবং বাহিরেও কোন নতুন এলাকায় বিক্রয় করার জন্য বিবেচনা করতে পার। যদি শুধুমাত্র ফিলিপিনে মিউজিক্যাল জিনিস বিক্রি হয়ে থাকে তবে পরবর্তীতে এশিয়ার অন্য জায়গাতে বিবেচনায় আনা যায়।

পণ্যের উন্নয়নের কৌশলঃ

ব্যবস্থাপনার সব সময় সম্ভাব্য নতুন পণ্য সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করা উচিত? নতুন নতুন সিডি (কমপ্যাক্ট ডিক্স) রাখা, অধিক সময় পর্যন্ত যে সকল ঈউ বাজে, সেগুলো রাখার মাধ্যমে ইহা করা যাইতে পারে। বিভিন্ন স্তরের গুণগতমান সম্পন্ন সিডি (কমপ্যাক্ট ডিক্স) রেখে, অথবা আধুনিক টেকনোলজি সমৃদ্ধ ডিজিটাল অডিও টেপ ইত্যাদি রেখে ইহার উন্নতি ঘটানো যাইতে পারে।

এই তিনটি প্রগাঢ় উন্নয়নমূলক কৌশল বিশ্লেষণ পূর্বক ব্যবস্থাপনা অন্য আলাদা পন্থায় ইহা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আশাবাদী হইবে। নিশ্চল/নিরবে থাকলে যথেষ্ট নয় এক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনাকে অবশ্যই পরীক্ষার মাধ্যমে হলেও সমন্বিতভাবে সুযোগ গ্রহণ করতে হবে।

বৈচিত্রতা বৃদ্ধিঃ

বর্তমান ব্যবসার বাহিরে যখন ভাল সুযোগ সুবিধা লাভ করা যায় তাকেই উন্নতি লাভের বৈচিত্রতা বুঝায়। একটা ভাল সুযোগ তখনই হয় যেখানে ইন্ডাষ্ট্রি অধিক আকষর্ণীয় হয় এবং কোম্পানী মিশ্রিত ব্যবসার সবল দিকগুলি সফলতা লাভ করে। তিন প্রকারের উন্নতি লাভের বৈচিত্রতা বিবেচনা করা হয়। কোম্পানী পণ্যের সন্ধান পাইতে পারে যার টেকনোলজিক্যাল এবং পণ্য বৃদ্ধির নির্দশন স্বরূপ বাজারজাত করার সহযোগিতা আছে। এমনকি, নতুন মাসের পণ্যের ক্রেতাদেরকে আকর্ষণ করার মর্মস্পর্শীতা আছে।

আরও দেখতে পারেন- পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করবেন কিভাবে?

5 thoughts on “পণ্যের বাজারজাতকরণ কৌশল”

Leave a Comment